পরের এক সপ্তাহ যে কিভাবে কেটেছে তোমাকে আমি তা বোঝাতে পারবো না। প্রতিটা মূহুর্ত এক অনাগত মিলনের অপেক্ষায় উন্মূখ থেকেছে আমার প্রতিটা অনু-পরমাণু। আমার চেতনা আমাকে তাড়িয়ে নিয়ে গেছে বারবার সাত দিন পরের সেই মূহুর্তের কাছে যার সঠিক রূপ আমার জানা নাই। কল্পনা আমাকে বারবার নতুন নতুন রূপ দেখিয়েছে অনাগত দিনগুলোর। সবার সাথে মেশার এবং কথা বলার পরেও সবার মনে হচ্ছিল আমি যেন কাছে নাই; কোন এক সূদুর থেকে কথা বলছি। কারো কোন কথাতেই ভালমতো মনযোগ দিতে পারছিলাম না, কোন কাজও
আমার অনুভূতি সদ্য প্রস্ফুটিত গোলাপের পাপড়ীর মত সুন্দর তোমাকে নিয়ে যার লাবন্য মোহিত করে সর্বদা। যাকে ঘিরে আবর্তিত আমার সমস্ত স্বপ্ন এবং অনুভব
Welcome Text
Welcome you to read daily important topics, quotes, discussion or news. You can share your comments or even new topics you like to be seen by the world
Showing posts with label অপেক্ষা. Show all posts
Showing posts with label অপেক্ষা. Show all posts
মরার উপর খাড়ার ঘা
টানা ৬ দিন পরে কলেজে গেলাম। অর্থাৎ ৩ দিন ক্লাশে অনুপস্থিতি। এটা স্কুল না যে এতোটা হিসেব করতে হবে। কলেজে ৩ দিন না যাওয়াটা তেমন কোন বড় ব্যাপার নয় আমাদের মতো স্বাধারণ ছাত্রের জন্য। বাড়িতে যখন ছিলাম তখনতো এতোটা ফিলিংস আসে নি, কিন্তু কলেজে এসে মনে হতে লাগলো, কত দিন যেন কলেজে আসি নি। চোখ বার বার খুঁজে ফিরতে লাগলো দুটি চোখকে; কিন্তু দেখা পেলাম না কোথাও। কেন বাড়িতে থাকা অবস্থায় এতটা ফিলিংস আসে নি? সম্ভবত দুইটা কারণে আসে নি। একটা হলো, বাড়ির পরিবেশে প্রতিক্ষার যন্ত্রণার মধ্যে অত বেশী কাবু করতে পারে নি। দ্বিতীয় হলো, একটা সান্তনা সবসময়ই ছিল যে, এইতো ফিরে যাওয়া মাত্র অপেক্ষা। ফিরে যাওয়ার সাথে
দিন শুরু অপেক্ষার
জৈষ্ঠ মাসের গরমের রাত- আমরা তিন-ভাইবোন ঘরের সামনে উঠোনে পাটি বিছায়ে হারিকেনের আলোয় পড়াশোনা করছি। আমাদের সাথে ভাইও থাকে প্রতিদিন; আজ নাই। ছোট ভাইকে বুকে নিয়ে শুয়ে আছে। এভাবেই কেটে গেছে অনেকটা সময়। গ্রামের সন্ধ্যা- চারিদিকে ঝিঁঝি পোকার একটানা গেয়ে চলার আওয়াজ যেন থামবার নয়। কুকুরটা আমাদের অদূরে বসে আছে; অপেক্ষা করছে কখন আমাদের খাওয়া-দাওয়া শুরু হবে- তার ভাগেরটা সে আদায় করে পরে আবার আশে-পাশের বাড়িতে গিয়ে কিছু পাবার চেষ্টা করবে। অথবা হয়তো অন্য বাড়ি থেকে তার প্রাপ্য অংশটা নেয়া শেষ হয়ে গেছে এবং এখন এখানে অপেক্ষা করছে। কারণ আমাদের বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া আশে-পাশের বাড়ি থেকে একটু দেরীতেই হতো। খাওযা-দাওয়ার পরে আমাদের আর পড়া হতো না- ঘুম এসে যেতো পড়তে গেলে।
মা বেঁচে থাকতেও গরমের সন্ধ্যায় আমরা এভাবে উঠানে খেঁজুর পাতার পাটি বিছায়ে পড়তে বসতাম। আমি পড়াশুনায় বরাবরই দূর্বল ছিলাম-
Subscribe to:
Posts (Atom)